
দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে নিজেদের কূটনৈতিক ও সামরিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছে হোয়াইট হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন বলছে, এই যুদ্ধবিরতি ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এক বিবৃতিতে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পদক্ষেপের ফলেই এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। তার দাবি, শুরু থেকেই ট্রাম্প ধারণা করেছিলেন যে সংঘাতটি চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে এবং প্রায় ৩৮ দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রধান সামরিক লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান প্রতিপক্ষের ওপর সর্বোচ্চ কৌশলগত চাপ তৈরি করে, যা শেষ পর্যন্ত কঠিন কূটনৈতিক আলোচনার পথ সুগম করে। এর ফলেই এখন একটি সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধান এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তির ভিত্তি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।লেভিট আরও জানান, ট্রাম্প প্রশাসন হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।অন্যদিকে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, তারা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে কারণ তাদের মতে যুদ্ধের অধিকাংশ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইসলামাবাদে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে সামরিক সাফল্যকে রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে আরও সুসংহত করা যায়।বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক উত্তেজনার পর এখন কূটনৈতিক আলোচনার নতুন পর্ব শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।সূত্র: আল জাজিরা
সম্পাদক: মোঃ আহছানউল্যা হাসান, নির্বাহী সম্পাদক: মুরাদ হোসেন, বার্তা সম্পাদক: রাসেল গাজী, মোবাইল: 01911110129
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয: ২১, নাছিম চেম্বার, ৩য় তলা, দিলকুশা, মতিঝিল, ঢাকা।
© ২০২৫ জনমুক্তি বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত