শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশু নিশাতকে হত্যা করে অটোরিকশাচালক: পিবিআই।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রামে নিখোঁজের দুই দিন পর উদ্ধার হওয়া ছয় বছর বয়সী শিশু নিশাত আক্তার হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই জানিয়েছে, ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে প্রতিবেশি অটোরিকশাচালক মো. ইছা মিয়া শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রাম থেকে ঘাতক ইছাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ইছা একই এলাকার মৃত জারু মিয়ার ছেলে। নিহত নিশাত ওই গ্রামের সৌদি প্রবাসী আবু সাদেক মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।পিবিআই ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ এপ্রিল দুপুরে বাড়ি থেকে চিপস কেনার উদ্দেশ্যে বের হয়ে নিখোঁজ হয় নিশাত। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা এলাকায় মাইকিং ও খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বাড়ির পাশের একটি খোলা জায়গা থেকে নিশাতের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিশাতের মা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার সচীন চাকমা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ইছা মিয়া হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে ইছা জানায়, ১৫ এপ্রিল দুপুরে গ্রামের স্কুলের সামনে নিশাতের সঙ্গে দেখা হলে তাকে ঘোরানোর কথা বলে নিজের অটোরিকশায় করে নবীনগরের রসুলপুর এলাকার একটি পার্কে নিয়ে যায়। পরে ওইদিন রাত ১০টার দিকে নিশাতকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এতে শিশুটি বাধা দেয় এবং তার মাকে সব বলে দেয়ার কথা জানায়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে ইছা নিজের গেঞ্জি দিয়ে নিশাতের মুখ চেপে ধরে এবং শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। এরপর ১৬ এপ্রিল সারাদিন সে মরদেহটি নিজের ঘরেই লুকিয়ে রাখে। পরে ১৭ এপ্রিল দুপুরে বস্তাবন্দি মরদেহ বাড়ির পাশের খোলা জায়গায় ফেলে দিয়ে আসে।
এই নিউজটিকে ভিন্নভাবে সাজিয়ে দাও যা পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

Facebook Comments Box