শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

খুলনায় দুলাভাই-শ্যালক হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

খুলনায় দুলাভাই-শ্যালক হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনায় দুলাভাই-শ্যালক হত্যা মামলায় ৮ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুসরাত জাবিন এ রায় ঘোষণা দেন।

ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী শুভেন্দু রায় চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফারুক শেখ ওরফে গাড়ি ফারুক, নুরুদ্দিন মো. রাজু ওরফে ইন্ডিয়ান রাজু, জাহাঙ্গীর হোসেন, সোহেল শিকদার, কালু শেখ ওরফে রাজিব, সিদ্দিক, ওয়াসিম ওরফে দাদা ওয়াসিম ও জব্বার। এদের মধ্যে গাড়ি ফারুক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, রূপসা উপজেলার খান মোহাম্মদপুর গ্রামের শেখ মহিউদ্দিনের ছেলে মো. হায়দার ওরফে কানা হায়দার নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার বানরগাতি মাটিয়াপুল এলাকার ফারুকের মেয়ে মর্জিনা খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তিনি সেখানে বসবাস করতেন। তার সঙ্গে এজাহারভুক্ত আসামি রাজু, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে কানা সিদ্দিক, সিদ্দিক, নাসির, মুক্তা ও বেটে রফিকের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ছিল।

২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩টার দিকে আসামিরা রামদা, ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে হায়দারের ঘরে প্রবেশ করে তার বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে। সে সময় তার আর্তচিৎকারে শ্যালক তরিকুল ইসলাম পিকু এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার সময় হায়দারের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে হায়দার ও তার শ্যালক তরিকুল ইসলাম পিকু মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত হায়দারের ভাই তৈয়ব আলী হয়ে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১০ সালের ১৩ আগস্ট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। ২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জ গঠন করা হয়।

Facebook Comments Box
ট্যাগ:Janomukti Barta

মন্তব্য করুন

Facebook Comments Box