
অনলাইন ডেস্ক: দেশের উন্নয়ন ও টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করতে এনজিও, বেসরকারি খাত এবং সরকারের মধ্যে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ লক্ষ্যে সময়বদ্ধ পদক্ষেপের মাধ্যমে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
৬ অক্টোবর ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সম্মেলন কক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে: বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের সার্বিক সেবা সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এনজিওগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের সমাধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনজিও ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, এই অংশীদারিত্বকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত রূপ দিতে হবে। এনজিওদের টেকসই অর্থায়নের পথ সুগম করতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সময়ক্ষেপণের সুযোগ নেই।
স্থানীয় কারুশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, শীতলপাটিসহ দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে আধুনিক নকশা, মূল্য সংযোজন ও কার্যকর বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। এগুলো হলো—‘ভ্যালু ফর মানি’, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা। এসব শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না বলেও জানান তিনি।
সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী এবং পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)





মন্তব্য করুন