
অনলাইন ডেস্ক: বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক হবেই।
ঢাকার রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট’ আয়োজিত এক সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন ও মর্যাদা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়ন হবে বলে তিনি আশা করেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের উদ্যোগের কথা জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ছাদে ৫.৫ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আর্থিক অনুদান দেবে। এতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ছুটির দিন ও অতিরিক্ত সময়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে শিক্ষা বাজেট তিন গুণ এবং স্বাস্থ্য বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে। ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া প্রায় ১ লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকার ভাতা দেওয়ার জন্য ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ফান্ড গঠন করা হয়েছে।
জাতীয়করণের দাবির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ জন্য বছরে অতিরিক্ত ৭ থেকে ৮ শত কোটি টাকা প্রয়োজন। শিক্ষক সমাজকে সুশৃঙ্খল ও বড় পরিসরে জাতীয় সমাবেশ করে মানবিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে আইনি বা নীতিগত কোনো বাধা নেই বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকতা এমন একটি পেশা, যা অন্য সব পেশার জন্ম দেয়।
সম্মেলনে অন্যান্য অতিথির মধ্যে সংসদ সদস্য ও শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব চৌধুরী মুগীস উদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)





মন্তব্য করুন