শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করতে পারস্পরিক যোগাযোগ, আস্থা ও সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক: চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও জনকল্যাণমুখী করতে পারস্পরিক যোগাযোগ, আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের এবারের চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

বৃহস্পতিবার চীনা দূতাবাস আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সফরপূর্ব সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এটি দ্বিতীয় প্রতিনিধি দলের চীন সফর। সফরটি আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে চীনের সরকারি কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে দেশটির উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, চীনের সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান ও মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি দেশটি কীভাবে বড় অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তর ঘটিয়েছে, তা বোঝা জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হয়। সময়ের সঙ্গে এ সম্পর্ক বিস্তৃত ও গভীর হয়েছে এবং বর্তমানে তা সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে।

দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ সহজ করতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য চীনের ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু, উদ্যোক্তাদের জন্য সালিশি সহায়তা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

চীনা দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

Facebook Comments Box