শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসনিক প্রভাব বরদাশত করা হবে না: চিফ হুইপ

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসনিক প্রভাব বরদাশত করা হবে না: চিফ হুইপ

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার বা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। তিনি জানান, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কোনো দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে না।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ জানান, বৈঠকে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান ব্যবস্থাপনা এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের সুফল মাঠপর্যায়ে মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা মূল্যায়নের তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

চাঁদাবাজি ও দখলদারির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, চাঁদাবাজ ও দখলদারের বিএনপিতে কোনো জায়গা নেই। দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম বলেন, কোনো অপ্রীতিকর বা উসকানিমূলক ঘটনা এড়াতে বিশেষ নজরদারির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার পূজামণ্ডপের আয়োজনে সম্পৃক্ত থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করবে। প্রতিটি ইউনিয়নে দলীয়ভাবে একক প্রার্থী দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ও যোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচিত হতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের সময়সূচি ও অন্যান্য কার্যক্রমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে তিনি আশা করেন। নির্বাচন কমিশনের কাজে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না বলেও জানান তিনি।

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে সরকার সচেতন রয়েছে উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, প্রয়োজন হলে তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে এলাকার সমস্যা শুনেছেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা, সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা এবং দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাই আলোচনার লক্ষ্য ছিল।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

Facebook Comments Box