
অনলাইন ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে কুমিল্লা সেক্টরের আওতাধীন সীমান্তবর্তী ১৭৬টি পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তায় বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি।
শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজার সার্বজনীন কালীবাড়ি মন্দিরের পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান বিজিবি কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রকিবুল হাসান।
তিনি বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সীমান্ত থেকে আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের কাছাকাছি পূজামণ্ডপগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
কর্নেল রকিবুল হাসান জানান, কুমিল্লা সেক্টরের অধীনে ৬৫টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) রয়েছে। এ ছাড়া ছয়টি বেইস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এসব বিওপি ও বেইস ক্যাম্প থেকে সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। দুর্গম ও সীমান্তবর্তী এলাকায় দ্রুত টহল এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য অস্থায়ী ক্যাম্পও স্থাপন করা হয়েছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পূজামণ্ডপগুলোতে দায়িত্ব পালনে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিজিবি জানায়, কুমিল্লা সেক্টরের ৩২৭ কিলোমিটার দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ১৪টি উপজেলার সীমান্তবর্তী আট কিলোমিটারের মধ্যে ১৫৬টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। অন্যান্য এলাকাসহ মোট ১৭৬টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি।
পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হবে। আরও আট প্লাটুন বিজিবি রিজার্ভ হিসেবে প্রস্তুত থাকবে। সব মিলিয়ে ৩৯ প্লাটুন বিজিবি সদস্য নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবেন।
সভায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পূজা উদযাপন ফোরামের সভাপতি বাবু তাপস কুমার চৌধুরীসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)





মন্তব্য করুন