
অনলাইন ডেস্ক: প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের আগে ও পরে ১২ রাকাত সুন্নত নামাজ রয়েছে। এই নামাজগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। রাসুল (সা.) নিয়মিত এসব সুন্নত নামাজ আদায় করতেন এবং বিশেষ কারণ ছাড়া তা ছাড়তেন না। তিনি সাহাবায়ে কেরামকেও এসব নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিতেন।
উম্মে হাবিবা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, দিনে ও রাতে ১২ রাকাত নামাজ আদায়কারীর জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে। এই ১২ রাকাতের মধ্যে রয়েছে—জোহরের ফরজের আগে চার রাকাত ও পরে দুই রাকাত, মাগরিবের পর দুই রাকাত, ইশার পর দুই রাকাত এবং ফজরের আগে দুই রাকাত।
জোহরের ফরজের আগে চার রাকাত নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসুল (সা.) এই নামাজের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি জোহরের আগে চার রাকাত এবং ফজরের আগে দুই রাকাত নামাজ নিয়মিত আদায় করতেন।
জোহরের আগের চার রাকাত সুন্নত যথাসময়ে আদায়ের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত। সুন্নত শুরু করার আগে বা নামাজ শুরু করার সময় জোহরের জামাত শুরু হলে সুন্নত না পড়ে সরাসরি জামাতে শরিক হতে হবে।
সুন্নত শুরু করার পর জামাত শুরু হলে দুই রাকাত শেষে সালাম ফিরিয়ে জামাতে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর তৃতীয় রাকাত শুরু হয়ে গেলে চার রাকাত পূর্ণ করে জামাতে শরিক হতে হবে। এ ক্ষেত্রে ছোট ছোট সুরা দিয়ে দ্রুত সুন্নত শেষ করার চেষ্টা করতে হবে।
কোনো কারণে ফরজের আগে চার রাকাত সুন্নত পড়া সম্ভব না হলে ফরজের পর তা আদায় করা যাবে। তখন প্রথমে জোহরের পরের দুই রাকাত সুন্নত পড়তে হবে। এরপর আগে ছুটে যাওয়া চার রাকাত সুন্নত আদায় করতে হবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) এভাবে নামাজ আদায় করতেন।
আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) জোহরের আগে চার রাকাত সুন্নত পড়তে না পারলে ফরজের পর দুই রাকাত সুন্নত আদায় করে পরে সেই চার রাকাত পড়ে নিতেন।
সূত্র: Daily Amader Matribhumi





মন্তব্য করুন