শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে জাতীয় সম্পদ উল্লেখ করে তা সংরক্ষণে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সমন্বয় জোরদারের কথা বলেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ। একটি সংস্কৃতিমনস্ক ও মেধাবী জাতি গঠনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

২৫ অক্টোবর বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু এবং সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য ও লোকজ জ্ঞান সংরক্ষণ নিয়ে মতবিনিময় সভা হয়।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, লোকসংগীত, নৃত্য, পোশাক, উৎসব ও ঐতিহ্য জাতীয় সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।

স্থানীয় সংস্কৃতির বিকাশে সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিল্পীদের কাজের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনগুলোর সমন্বয় আরও জোরদার করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পাহাড়ের প্রতিটি জাতিসত্তার স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্য রয়েছে। এসব সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা গেলে স্থানীয় সংস্কৃতির বিকাশের পাশাপাশি দেশের সাংস্কৃতিক পরিসর আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি পাহাড়ের মানুষের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, শিল্প, ইতিহাস, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং বিভিন্ন জাতিসত্তার মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও গবেষণায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে বান্দরবান জেলায় একটি আধুনিক কালচারাল কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এছাড়া থানচি উপজেলায় অবস্থিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ইনস্টিটিউটকে দ্রুত আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন করে গড়ে তোলা হবে।

অনুষ্ঠানে বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা, পুলিশ সুপার ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামণিসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

Facebook Comments Box