শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় জোর দিলেন রাষ্ট্রপতি

টেক্সটাইল খাতে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির পাশাপাশি দেশীয় কাঁচামাল ও প্রাকৃতিক তন্তু নিয়ে গবেষণা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় জোর দিলেন রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক: টেক্সটাইল খাতের চাহিদা পূরণে দেশেই আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী তৈরি এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সাক্ষাৎকালে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বুটেক্সের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক খাত হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। এতে দক্ষ জনশক্তির যথাযথ ব্যবহার এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

দেশের টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামালের চাহিদা পূরণে তুলার দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। এ জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা, উৎপাদন ব্যয় কমানোর উপায় খুঁজে বের করা এবং কৃষি ও টেক্সটাইল খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

পাশাপাশি পাট, আনারসের পাতা ও কলাগাছসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস থেকে তন্তু সংগ্রহ এবং সিনথেটিক সুতা তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা জোরদারের কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাকশিল্পের বিকাশে বুটেক্সের ভূমিকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক গবেষণাগার স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি, বিসিএস (টেক্সটাইল) নামে আলাদা ক্যাডার সৃষ্টি, বাজেট সম্প্রসারণ এবং ঢাকার পূর্বাচলে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য জমি বরাদ্দসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতি তাদের বক্তব্য শোনেন এবং উত্থাপিত বিষয়গুলোর সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। পাশাপাশি তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

উপাচার্য আগামী বছরের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরকে সভাপতিত্ব করার আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

সূত্র: Daily Amader Matribhumi

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

Facebook Comments Box