
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে আইন অমান্যকারী যানবাহনচালকেরা এআইনির্ভর স্বয়ংক্রিয় মামলার আওতায় আসবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের ৩৫ কিলোমিটার মুন্সীগঞ্জ জেলায় পড়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সড়কে অধিকাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বেপরোয়া গতি ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ২৫ জুন ২০২২ থেকে ২৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫৮৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫২ জন নিহত এবং ৯৫০ জন আহত হয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, অধিকাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করা।
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে গিয়ে জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েকে এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সড়ক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
গাজীপুর রিজিয়নের হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, এক্সপ্রেসওয়ের পুরো এলাকা এআই ক্যামেরার আওতায় এনে অতিরিক্ত গতি, ওভারটেকিং এবং সড়ক আইন অমান্যের ঘটনায় এআইনির্ভর স্বয়ংক্রিয় মামলা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনা রোধে বিভিন্ন স্থানে গতিসীমা নির্ধারণের সাইন মার্কিং ও সিসি ক্যামেরা রয়েছে। বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, আকস্মিক ইউটার্ন, চালকের অসতর্কতা, সড়ক আইন না মানা এবং ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)





মন্তব্য করুন