শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষায় অংশগ্রহণ উৎসাহিত করাই বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল: শিক্ষামন্ত্রী

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণ ও অর্জনকে উৎসাহিত করাই বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল বলে স্পষ্ট করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষায় অংশগ্রহণ উৎসাহিত করাই বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণ ও অর্জনকে উৎসাহিত করাই বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল বলে স্পষ্ট করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যের একটি শব্দ নিয়ে তৈরি হওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত অস্পষ্টতা নিরসনে তিনি এ স্পষ্টীকরণ দিয়েছেন।

শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, ওই অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার বিষয়েই তিনি কথা বলেছিলেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ সমাজে অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব বাধা পেরিয়ে তাদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই তাঁর বক্তব্যের মূল কথা ছিল।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বক্তব্যের সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। তাঁর অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’।

দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ ও শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।

গত ২৮ অক্টোবর বাউবির ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী বক্তব্য দেন।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

Facebook Comments Box